

দেশে ‘সালফার ডাই অক্সাইড সমৃদ্ধ’ নিম্নমানের চিনি প্রস্তুতের দায়ে মেঘনা সুগার রিফাইনারির কর্ণধার ও মেঘনা গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামালের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে ঢাকার নিরাপদ খাদ্য আদালত।
সোমবার স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত সাহারা বিথী এ আদেশ দেন। মামলার বাদী ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের খাদ্য পরিদর্শক কামরুল হাসান নিরাপদ খাদ্য আদালতের এমন আদেশের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
খাদ্য পরিদর্শক কামরুল যাচাই বাছাইয়ে পাওয়া তথ্যের বরাতে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, খাদ্য উৎপাদনকারী কোম্পানিটি ‘জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি তৈরি করে নিম্নমানের পণ্য’ বিক্রি করছে। এ কোম্পানির চিনিতে ‘চিনির মাত্রা কম ও সালফারের উপস্থিতি’ পাওয়া গেছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, মেঘনা সুগার মিলের উৎপাদিত চিনির একটি নমুনায় ন্যূনতম অনুমোদিত ৯৯.৭০ শতাংশের বিপরীতে ৭৭.৩৫ শতাংশ ‘সুক্রোজ’ পাওয়া গেছে। একই চিনির নমুনায় সালফার ডাই-অক্সাইড পরীক্ষায় ০.০৮ পিপিএম পাওয়া যায়। বিএসটিআই মানদণ্ড অনুযায়ী, চিনিতে সালফার ডাই-অক্সাইডের কোনো উপস্থিতি থাকার কথা নয়।
খাদ্য পরিদর্শক কামরুল বলেন, সালফার ডাই-অক্সাইড হলো একটি প্রিজারভেটিভ এবং এটি কৃত্রিমভাবে চিনি সাদা করতে ব্যবহৃত হয়। আর চিনিতে কমমাত্রার সুক্রোজ থাকার অর্থ এতে চিনির বদলে ‘কৃত্রিম মিষ্টি করার উপাদান’ ব্যবহার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে মেঘনা সুগারের বক্তব্য জানা যায়নি। তাদের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হয় মেঘনা গ্রুপের জনসংযোগ বিভাগের একজন কর্মকর্তার সঙ্গে। তবে যোগাযোগ করেও তার আর সাড়া পাওয়া যায়নি।
নিরাপদ খাদ্য আদালত মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য ১৫ ডিসেম্বর ঠিক করেছে।


