

এম এ আশরাফ, নিজস্ব প্রতিবেদক:
বান্দরবানে নাইক্ষ্যংছড়ির তমব্রু সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে আহত বিজিবির সদস্য নায়েক মো. আক্তার হোসেন ২০ দিন পর ঢাকার সিএমএইচে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। পরে তার মরদেহ হেলিকপ্টার যোগে গ্রামের বাড়িতে এনে সামরিক মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।
মো. আক্তার হোসেন বিজিবির কক্সবাজার ৩৪ ব্যাটালিয়নে কর্মরত সদস্য ছিলেন।
তিনি ভোলার দৌলতখান পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা বিজিবির অবসরপ্রাপ্ত হাবিলদার আব্দুল মান্নান মিয়ার পুত্র। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৪৫ বছর। জীবদ্দশায় তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে, ১ মেয়েসহ অনেক গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
তার ভাই জানান, সকাল নয়টার সময় ঢাকা থেকে হেলিকপ্টার যোগে লাশ আনা হয়। পরে সকাল ১১ টায় কলেজ মাঠে জানাজা সম্পন্ন করে পারিবারিক কবর স্থানে দাফন করা হয়।
বিজিবির কক্সবাজার ৩৪ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম বলেন, সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে আহত আক্তার হোসেনকে গত ১৩ অক্টোবর উন্নত চিকিৎসার জন্য রামু সেনানিবাসস্থ সিএমএইচ থেকে হেলিকপ্টার যোগে নিয়ে গিয়ে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হয়। সেই থেকে সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন। শুক্রবার বেলা ১১ টার দিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নায়েক আক্তার হোসেন মারা যান।
লে. কর্নেল খায়রুল আলম জানান, বিজিবি সদস্যের মৃতদেহটি ঢাকাস্থ সিএমএইচের মর্গে রাখা হয়েছে। শনিবার সকালে হেলিকপ্টার যোগে তার লাশ ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলায় গ্রামের বাড়ীতে পৌছায়। পরে সামরিক মর্যাদায় তার দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।
এর আগে গত ১২ অক্টোবর সকালে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু সীমান্ত এলাকায় বিজিবির একটি দল টহল দিচ্ছিল। এসময় মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির পুঁতে রাখা একটি মাইন বিস্ফোরণ ঘটে।
এতে আক্তার হোসেনের বাম পায়ের গোড়ালি সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন এবং অপর পা ক্ষত-বিক্ষত হয়। পরে বিজিবি সদস্যরা আহত আক্তারকে উদ্ধার করে রামু সেনানিবাসস্থ সিএমএইচে ভর্তি করে।


