শিক্ষার্থীরাই গড়বে স্মার্ট বাংলাদেশ: আ.স.ম ফিরোজ

11

বাউফল প্রতিবেতক: আজকের শিক্ষার্থীরাই একদিন চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়বে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক চীফ হুইপ ও সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটির সভাপতি আ.স.ম ফিরোজ এমপি।

বুধবার (১৮ অক্টোবর) পটুয়াখালীর বাউফলে কালাইয়া ইদ্রিস মোল্লা ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী, শিক্ষক- কর্মচারীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আ.স.ম ফিরোজ বলেন, শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন পূরণের প্রধান সারথী হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষার ডিজিটাল প্লাটফর্ম তৈরি করে দিয়েছেন বলে বাংলাদেশ বদলে গেছে। নতুন নতুন উদ্ভাবনের ফলে প্রতিনিয়ত যেমন বদলে যাচ্ছে বিশ্ব, সেই হাওয়া বাংলাদেশের পালেও লেগেছে।

তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিক্ষা ব্যয়কে খরচ নয়, বিনিয়োগ বলেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণে শেখ হাসিনা প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষার ডিজিটাল প্লাটফর্ম তৈরি করে দেন। ফলশ্রতিতে বদলে গেছে বাংলাদেশ। বিগত ১৪ বছরে তথ্য প্রযুক্তি খাতে ২০ লাখ তরুণ-তুরণীর কর্মসংস্থান হয়েছে। ধারাবাহিক পথ পরিক্রমায় এখন আমরা চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগে প্রবেশ করেছি।

আ.স.ম ফিরোজ আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী এখন ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। এই লক্ষ্য অর্জিত হলে আমরা উন্নত দেশ হিসেবে বিশ্বে অবস্থান করতে পারবো। আমাদের সকলকে বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার অংশীদার হতে হবে। শিক্ষার্থীরা যাতে তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বসেই স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ শিখতে পারে এজন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপণ করা হয়েছে। এই ল্যাব থেকে ফ্রিল্যান্সিংসহ অন্যান্য প্রোগ্রাম শিখতে পারলে ঘরে বসেই বিশ্ব পরিসরে অর্থ উপার্জন করা সম্ভব হবে। আর আমাদের পরনির্ভরশীলতা থাকবে না।

মত বিনিময় সভায় অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মো. জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী মুনতাসির তাসরিফ লালিমের সঞ্চলণায় বক্তব্য রাখেন, কলেজ গর্ভানিং বডির সভাপতি মো. সুরাইয়া খান রেজা, উপজেলা পরিষদ ভাইস-চেয়ারম্যান মোসারেফ হোসেন খান, বাউফল সরকারি কলেজের সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম, বাউফল প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি অতুল চন্দ্র পাল, কালাইয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক মো. কবিরুজ্জামান ও প্রভাষক মো. রুহুল আমিন প্রমূখ।