পুলিশ হত্যা করে বিএনপি আবারও প্রমাণ করেছে তারা খুনির দল: আ.স.ম ফিরোজ

10

বিএনপি-জামায়াত আন্দোলনের নামে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে পুলিশ হত্যা, রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতাল এবং প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা চালিয়ে আবারও প্রমাণ করেছে তারা খুনির দল। তারা (বিএনপি-জামায়াত) আগুন নিয়ে যে অশুভ খেলায় মেতে উঠেছে সেই আগুনেই তাদের পুড়তে হবে।

শনিবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে পটুয়াখালী শিশু একাডেমিতে জেলা পুলিশের উদ্যোগে কমিউনিটি পুলিশিং ডে উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।

তিনি বলেন, মানুষের মধ্যে পুলিশি ভীতি দূর করতে এবং জনগণের সাথে বন্ধন তৈরি করতে আওয়ামী লীগ সরকার কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম শুরু করছিলেন। এতে সামজিক অপরাধসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রবণতা কমেছে। পুলিশ ও জনগণ মিলে মিশে অপরাধ দমনে কাজ করছে। আর বিএনপি জামায়াত পুলিশ বাহিনীকে টার্গেট করে হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে। কুপিয়ে পিটিয়ে পুলিশ হত্যা করছে।

ক্ষমতাসীন দলের সাবেক এ চীফ হুইপ আরও বলেন, গণতান্ত্রিক দেশে অগণতান্ত্রিক সরকারের অধীনে নির্বাচন হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। নির্বাচন হবে সংবিধান অনুযায়ী। নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন পরিচালনা করবেন। বিএনপি তত্ত্বাবধারক সরকার দাবি সে দাবি অযৌক্তিক। পৃথিবীর কোনো দেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হয় না। আমাদের দেশেও হবে না। যেসব বিদেশী মোড়লেরা বিএনপি-জামায়াতকে মদদ দিচ্ছেন তাদের দেশেও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নেই, আমার দেশে কেনো?

বিএনপি জামায়াতের উদ্দেশ্যে আ.স.ম ফিরোজ এমপি বলেন, জ্বালাও পোড়াও করে লাভ নেই। সহিংসতা পরিহার করে নির্বাচনে আসুন। জনগণ যদি ভোট দেয় তাহলে সরকার গঠন করবেন। পিছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার চিন্তা বাদ দিন।

জেলা পুলিশ সুপার মো. সাইদুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক নূর কুতুবুল আলম, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাড. হাফিজুর রহমান, পৌর মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ভিপি আব্দুল মান্নান, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাড. গোলাম সরোয়ার, জেলা কমিউনিটি পুলিশিং এর সভাপতি হুমায়ুন কবির প্রমূখ।

কর্মসূচীতে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারী, শিক্ষক শিক্ষার্থী, পুলিশ, গ্রাম পুলিশ, জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করে।