

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘সাম্প্রতিক সময়ে লক্ষ্য করা যাচ্ছে কিছু অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় জুয়া, বেটিং ও পর্নোগ্রাফি সম্পর্কিত বিজ্ঞাপন ও প্রমোশনাল কনটেন্ট প্রচার করা হচ্ছে। এটি সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১২-এর পরিপন্থি এবং দণ্ডনীয় অপরাধ।’
এ ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য সরকার এরই মধ্যে একাধিক প্রজ্ঞাপন ও প্রেস রিলিজ প্রকাশ করেছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘সাম্প্রতিক সময়ে লক্ষ্য করা যাচ্ছে কিছু অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় জুয়া, বেটিং ও পর্নোগ্রাফি সম্পর্কিত বিজ্ঞাপন ও প্রমোশনাল কনটেন্ট প্রচার করা হচ্ছে। এটি সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১২-এর পরিপন্থি এবং দণ্ডনীয় অপরাধ।’
এ ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য সরকার এরই মধ্যে একাধিক প্রজ্ঞাপন ও প্রেস রিলিজ প্রকাশ করেছে।
এতে আরও বলা হয়েছে, ‘১৯ অক্টোবর (রোববার) থেকে যদি কোনো সংবাদপত্র (অনলাইন ভার্সনসহ), নিউজ পোর্টাল, ইলেকট্রনিক মিডিয়া বা ওয়েবসাইটে জুয়া, বেটিং বা পর্নোগ্রাফি সম্পর্কিত কনটেন্ট প্রচারিত হয় তবে বিনা নোটিশে সেই সাইট ব্লক করে দেওয়া হবে।’
সরকারের সতর্কতার পর এরই মধ্যে বেশ কয়েকটি গণমাধ্যম তাদের অ্যাডসেন্স পরিবর্তন করেছে, এজন্য তাদের ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশ সরকার দেশের সাইবার স্পেস নিরাপদ, নৈতিক ও প্রজন্মবান্ধব রাখতে সর্বোচ্চ সতর্কতা এবং কঠোর পদক্ষেপ অব্যাহত রাখবে। এ বিষয়ে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি (এনসিএসএ), জাতীয় টেলিযোগাযোগ পযবেক্ষণ কেন্দ্র (এনটিএমসি), জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই) এবং বাংলাদেশ ফিনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) যৌথভাবে কাজ করছে।


