চোরাকারবারীদের ফেলে যাওয়া বস্তায় পাওয়া গেল ৩ লক্ষ ইয়াবা

15

হেলাল উদ্দিন: কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৩ লক্ষ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ মহিউদ্দীন আহমেদ গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে, শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ সাবরাং বিওপি’র একটি চোরাচালান প্রতিরোধ টহলদল বিআরএম-৫ হতে আনুমানিক ১.৫ কিলোমিটার দক্ষিণ দিকে জিন্নাহখাল নামক এলাকা দিয়ে মাদকের একটি চালান মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পাচার হতে পারে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন সদর এবং সাবরাং বিওপি’র দুইটি চোরাচালান প্রতিরোধ টহলদল বর্ণিত এলাকায় গমন করে দুইভাগে বিভক্ত হয়ে একটি টহলদল বেড়িবাঁধের আঁড় নিয়ে কৌশলগত অবস্থান গ্রহণ করে এবং অপর একটি টহলদল নাফনদীতে নৌ টহলরত অবস্থায় থাকে। কিছুক্ষণ পর পূর্ব থেকেই কৌশলগত অবস্থানে থাকা বিজিবি টহলদল চারজন ব্যক্তিকে একটি ইঞ্জিন চালিত কাঠের নৌকা যোগে সীমান্তের শূন্য লাইন অতিক্রম করে আনুমানিক ৭০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে জিন্নাহখাল নামক এলাকায় নাফনদীর কিনারায় নৌকা থেকে কিছু বস্তা নামাতে দেখে। তাদের গতিবিধি সন্দেহজনক পরিলক্ষিত হওয়ায় টহলদল তাদেরকে চ্যালেঞ্জ করলে বিজিবি টহলদলের উপস্থিতি অনুধাবন করা মাত্রই উক্ত ব্যক্তিরা দ্রুত নৌকা নিয়ে সীমান্ত শূন্য লাইন অতিক্রম করে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়।

লেঃ কর্নেল মোঃ মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, টহলদল উল্লেখিত স্থানে পৌঁছে তল্লাশী অভিযান পরিচালনা করে চোরাকারবারীদের ফেলে যাওয়া দু’টি প্লাষ্টিকের বস্তার ভিতর থেকে ৩ লক্ষ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। টহলদল কর্তৃক উক্ত এলাকায় দুপুর পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করা হলেও কোন চোরাকারবারী কিংবা তাদের সহযোগীদেরকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে, চোরাকারবারীদেরকে সনাক্ত করার জন্য অত্র ব্যাটালিয়নের গোয়েন্দা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।