

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি), রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন এই তিন দলের সমন্বয়ে ‘গণতান্ত্রিক সংস্কার জোট’ গঠন করা হয়েছে।
রোববার (৭ ডিসেম্বর) ডিআরইউতে এই নতুন জোট আত্মপ্রকাশ করে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের পর আমরা যে নতুন বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষা করেছিলাম সেই বাংলাদেশ আমরা গড়তে পারি নি। ঐক্যমত কমিশন গঠন করা হলেও নানাজনের নানা বাধায় আমরা সেই কাঙিক্ষত বাংলাদেশ গড়তে পারি নি।
কিন্তু আমরা যারা সংস্কার চাই, নতুন বাংলাদেশ চাই তারা আজকে এক হয়ে এখানে অবস্থান করছি। আমাদের কমিটমেন্ট ছিল ৫ আগস্টের পরের বাংলাদেশ আর আগের বাংলাদেশ হবে না। কিন্তু আমরা এখন নানা আলামত দেখছি যেখানে আগের বাংলাদেশ হয়ে যাচ্ছে।
যারা পরিবর্তনের প্রতিজ্ঞা নিয়ে আমাদের ঐক্যে আসতে চায় তাদেরকেও আহ্বান জানাচ্ছি।
নির্বাচন নিয়ে বলেন, এই নির্বাচন শুধু ক্ষমতা পরিবর্তনের জন্য নয়। এই নির্বাচন গণঅভ্যুত্থানকে টিকিয়ে রাখতে, সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন, অর্থনৈতিক কার্যক্রম চালু রাখার জন্য আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো।
সিটের লোভ দেখিয়ে বিভিন্ন দল থেকে যেসকল অফার এসেছিলো সেগুলোকে আমরা সাদরে প্রত্যাখ্যান করছি। আমরা আমাদের লক্ষ্য অনুসারে আগাবো ও সামনের নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধভাবে অংশগ্রহণ করবো।
জুলাইয়ের শক্তি যারা পরিবর্তনের পথে আছে তাদের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলেও জানিয়েছেন নাহিদ ইসলাম।
এছাড়া, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার ফুয়াদেরও ওপর বরিশালে হেনস্তার জন্য গভীর উদ্বেগ জানিয়েছেন এনসিপির আহ্বায়ক।
তিনি আরও বলেন, কেউ যদি মনে করে গায়ের জোরে নির্বাচন জিতে যাবে অথবা ধর্মের নামে মানুষকে প্রতারিত করে জিতে যাবে তাদেরকে মানুষ প্রত্যাখ্যান করবে।


