ইউপি মেম্বারকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ

10

এস এম সাইফুল ইসলাম কবির: বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলার আটজুড়ী ইউনিয়নের সংরক্ষিত ওয়ার্ডের এক মহিলা সদস্য (৩৫)’কে জোর পূর্বক ধর্ষণ চেষ্টা সহ ছুরি দিয়ে কুপিয়ে ও কামড়ে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসময় ভিকটিমের ডাক চিৎকারে উদ্ধার করতে গিয়ে ওই মহিলার স্বামীও হামলার শিকার হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে কামার গ্রাম সংলগ্ন চিতলমারী উপজেলার খাগড়া বুনিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত ওই মহিলা ও তার স্বামীকে মোল্লাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

চিকিৎসাধীন ভিকটিম দম্পতি জানান, মোল্লাহাট উপজেলার কামার গ্রামে তাদের বাড়ি হলেও সম্প্রতি খাগড়া বুনিয়া গ্রামে নতুন বাড়ি করে সেখানে বসবাস করছেন তারা। নতুন বাড়িতে বসবাসের শুরু থেকেই পাশের বাড়ির ওবায়দুল শিকদার (৩৫) আপত্তিকর অঙ্গভঙ্গি করা সহ ওই মহিলাকে কু প্রস্তাব দেন। যে কারণে ওবায়দুলকে এড়িয়ে চলেন তিনি। ঘটনার সময় স্বামী ঘরে না থাকার সুযোগে ওবায়দুল ঘরে ঢুকে জোর পূর্বক ধর্ষণ চেষ্টা করে। তখন নিজেকে রক্ষা চেষ্টা করাসহ ডাক চিৎকার করেন তিনি। ধস্তাধস্তি ও ডাক চিৎকারের কারণে ধর্ষণ চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে ছুরি দিয়ে কুপিয়ে ও কামড়ে মহিলাকে জখম করে। ওই সময় স্ত্রীর চিৎকার শুনে বাড়ির অদূরে থাকা স্বামী দ্রুত ঘরে প্রবেশ করলে তাকেও ঘুষি ও ধাক্কা মেরে ফেলে পালিয়ে যায় ওবায়দুল। এঘটনায় মামলা করবেন বলেও জানান ভিকটিম দম্পতি।

উল্লেখ্য, ওবায়দুল শিকদার (৩৫) খাগড়া বুনিয়া গ্রামের হাসেম শিকদার ও মরিয়ম বেগম’র ছেলে।

ওবায়দুল শিকদার বলেন, ধর্ষণ করা হয়নি, যা হয়েছে তা মিমাংসার জন্য ভাইস চেয়ারম্যান মাহাতাব ও মোল্লাহাট উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীনুল আলম ছানার সাথে কথা হয়েছে। ‍এসময় ওবায়দুল শিকদারের স্ত্রী বলেন, ওই মহিলার (ভিকটিম) পিঠে আমার স্বামী না আমি কামড় দিয়েছি।

মোল্লাহাট থানা অফিসার ইনচার্জ সোমেন দাশ জানান, আহত দম্পতি থানায় আসছিলো, যেহেতু ঘটনা চিতলমারী থানার অন্তর্গত তাই, তাদেরকে সংশ্লিষ্ট থানায় অভিযোগ দায়েরের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।