

খাল খনন কর্মসূচিতে কোনো ধরনের দুর্নীতি সহ্য করা হবে না বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেন, এ বিষয়ে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।
রোববার (১৫ মার্চ) জাতীয় সংসদ–এর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনের বিরতির সময় সংসদ ভবনে সংবাদকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, শাহাপাড়া খাল উদ্বোধনের পর সেখানে একটি সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি দিনাজপুর জেলা সদরে পৃথক সুধী সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন তারেক রহমান।
মন্ত্রী বলেন, খাল খনন কর্মসূচিতে যেন কোনো ধরনের দুর্নীতি না হয় এবং সরকারি অর্থের অপচয় না ঘটে সে বিষয়ে সরকার কঠোর নজরদারি রাখছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, আগামীকাল (সোমবার) একযোগে দেশের ৫৪টি জেলায় খাল খনন কর্মসূচি শুরু হবে। এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হবে দিনাজপুর জেলার কাহারুল উপজেলার শাহাপাড়া খাল থেকে।
তিনি আরও বলেন, এই কর্মসূচি কেবল একটি আন্দোলন বা বিপ্লবের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং গণজাগরণের মধ্য দিয়ে জনগণের পাশে থেকে আমরা এই কার্যক্রম অব্যাহত রাখবো। যেখান থেকে আমরা যে সুবিধা পাবো, জনগণ খাল খনন কর্মসূচির যে সুবিধা পাবে এবং মাছ উৎপাদন প্রক্রিয়াটিকে আমরা আরও বৃদ্ধি করতে পারবো।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা খুবই পরিকল্পিত কর্মসূচি হাতে নিয়েছি এবং প্ল্যান ওয়াইজ। যেহেতু আমরা এদেশে নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে আমরা এসেছি। জনগণের সুবিধার জন্য যে কাজটুকু জনগুরুত্বপূর্ণ জনদাবির মধ্যে পড়ে, কোনোভাবেই দেশের অর্থ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, লুণ্ঠন না হয়। দুর্নীতি সম্পূর্ণভাবে আমরা মোকাবিলা করবো। দুর্নীতির জিরো টলারেন্সে রেখে সব দিক বিবেচনায় খাল খনন কর্মসূচি আমরা হাতে নিয়েছি। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আমরা খুব সজাগ রয়েছি, খুব সতর্ক আছি এবং সাধারণ মানুষের সুবিধা, উপকার খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা যেন জাতিকে দেশের মানুষকে পৌঁছে দিতে পারি।
আরেক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আগামী ১৮০ দিন সামনে টার্গেট রেখে অনেকগুলো কর্মসূচি আমরা হাতে নিয়েছি। তার মধ্যে খাল খনন কর্মসূচিটা খুব উল্লেখযোগ্য।


